ইহা ম্যাকারেল-এর দ্বিতীয় বর্ষ, প্রথম সংখ্যা। প্রাণান্ত প্রচেষ্টায় অদ্যাবধি এই
পত্রিকা, যে মাসের নাম নামকরণে ব্যবহার করেছে, সেই মাসেই আত্মপ্রকাশ
করেছে। সে
শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে মাসের শেষদিনে হলেও। সম্পাদকীয় পড়তে আপনার যৎকিঞ্চিত ভ্রূকুঞ্চন
ঘটে থাকলে তা আপনার চর্চার বিশুদ্ধ গুণ। মানে হল, এর মধ্যে আপনি যথার্থ
ধরে ফেলেছেন ম্যাকারেল-এ গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটেছে। এবং আপনার দুশ্চিন্তার অবসান ঘটিয়ে
আমরা ঘোষণা করছি, এ দোষ কাটানোর কোনও অসদুদ্দেশ্য আমাদের নেই। ম্যাকারেল-টা কী? বেড়াল, না কি বেড়ালের খাবার! তাই
নিয়েই রহস্যের কোনও সুরাহা হয়নি।
এদিকে বইমেলা ওদিকে সুন্দরবন। বইমেলালীন বিপ্লববন্ধুরা অনেকেই জল
সংরক্ষণের স্বকীয় পথ নিচ্ছেন। জলের বোতলে ফর্মালিনের গন্ধ পাওয়া
যেতে পারে প্রায়োগিক ক্ষেত্রে, এবং অন্য কিছুই নয় ইহা, গন্ধের সাযুজ্য
অনভিপ্রেত সমাপতনমাত্র। গভীর রাতের ফেসবুক অথবা অপ্রশস্ত বাথরুমে
বিপ্লব স্বতোৎসারিত হচ্ছেন। বোঝার ওপর শাকের আঁটি ছাত্রনির্বাচন। এত সব প্রাসঙ্গিক ঘটনার মধ্যে কিছুতেই
ম্যাকারেল মাছ না বেড়াল শনাক্ত করা যাচ্ছে না।
তবু গত তিন সংখ্যার অনুগামী হয়ে চতুর্থ সংখ্যাও বাঘের গায়ের শীত নিয়ে এসে
গেল। ম্যাকারেলের
সম্পাদকীয় সম্পাদকরাই লেখেন এমন নয়। লেখকরাও আগামী সূচিপত্রে ঠাঁই পাবার
খুড়োর কলের কারিকুরিতে সম্পাদকীয় লিখে ফেলতে পারেন। কজন উদীয়মান লেখকই বা সম্পাদকের মুখের
ওপর না বলতে পেরেছে!
আর না পারলে প্রতিশোধমূলক যেটা করা যায় সেটা হল অন্তর্ঘাত। সুতরাং ম্যকারেল না সাধু (না অসাধু)
না চলিত (না অপ্রচলিত)। এবং ওই এক আঁশটে সন্দেহ! মাছ না বেড়াল?
বেড়াল না মাছ? স্বাগত আপনাকে, পড়ুন ও মতামত জানান। আসুন ভালো থাকি, ভালোর মধ্যে থাকি।
- দীপাঞ্জনা মণ্ডল